দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক ও পেশাগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে রাজধানীর উত্তরা লিবার্টি ক্লাব লিমিটেড (ULCL)-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সম্মাননা অনুষ্ঠান ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার ২০২৬’।
বাংলাদেশের আইডিয়া এক্সচেঞ্জ এবং নেপালের বিলক্ষণ ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিল্প, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম, সংগীত, গবেষণা, ব্যবসা, সামাজিক নেতৃত্ব ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ও নেপালের মোট ৪৬ জন ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৩০ জন এবং নেপালের ১৬ জন রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ (BFFS)-এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সমন্বয় করেন আইডিয়া এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা খন্দকার সুমন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিলক্ষণ ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডাব্বু ক্ষেত্রি। তিনি সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও উত্তরীয় তুলে দেন।
বাংলাদেশ থেকে সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা খিজির হায়াত খান, আকতানিন খায়ের তানিন, সুপিন বর্মণ, শ্যামল শিশির ও প্রযোজক শরিফ উল আনোয়ার সজ্জন; অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা, মৌসুমী হামিদ, মার্শিয়া শাওন, তাসমিতা শিমু, আইনূন পুতুল, কাজী নওশাবা আহমেদ ও আফসানা মিমি; অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, ফজলুল হক, সরকার রওনক রিপন, মোহাম্মদ রফিক ও মো. রকিবুল হাসান (রাকিব); সাংবাদিক ও গীতিকবি আল মাহমুদ মানজুর; সাংবাদিক ও নাট্যকার আহমেদ তাওকির; সাংবাদিক মাসুম অপু, আহমেদ জামান শিমুল ও আহমেদ তেপান্তর; সংগীতশিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল কুদ্দুস; লালনসংগীত শিল্পী আকরাম হোসেন ও গজল শিল্পী সৈয়দ ইসমাইল হোসেন; কলামিস্ট ও সংস্কৃতিকর্মী নাহিদ হাসান; উদ্যোক্তা ও সমাজকর্মী এম. রহমান সাগর, জাহির রায়হান ও মো. মোশারাফ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি আফসানা করিম মিমি ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তার পক্ষে সাংস্কৃতিক কর্মী সানজিদ সুপ্ত সম্মাননা গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানটি দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হয়। পরে সম্মাননা প্রদান পর্ব, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং নৈশভোজ ও সৌহার্দ্য বিনিময়ের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে খন্দকার সুমন বলেন, এই আয়োজন শুধু একটি সম্মাননা অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সহযোগিতার একটি সেতুবন্ধন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।
আয়োজকেরা জানান, ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার’ ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জে আই